অন্যতম রুট বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী পাচারের : মার্কিন প্রতিবেদন

মোট দেখেছে : 11
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

বন্যপ্রাণী পাচার সংক্রান্ত রাষ্ট্রগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কোন রাষ্ট্রগুলোকে কেন্দ্র করে চোরাচালান হচ্ছে এবং কোন রাষ্ট্রগুলো চোরাচালানে মদদ দিচ্ছে- এমন দুইটি পৃথক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন রাষ্ট্রের তালিকার বাংলাদেশের নাম আছে। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্যপ্রাণী পাচার সংক্রান্ত রাষ্ট্রগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কোন রাষ্ট্রগুলোকে কেন্দ্র করে চোরাচালান হচ্ছে এবং কোন রাষ্ট্রগুলো চোরাচালানে মদদ দিচ্ছে- এমন দুইটি পৃথক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন রাষ্ট্রের তালিকার বাংলাদেশের নাম আছে। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেস রিলিজে বলা হয়, বন্যপ্রাণী পাচার রোধ আইন ২০১৬ অনুসারে মার্কিন কংগ্রেসে প্রথমবারের মতো বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ৯ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন তার প্রধান চারটি ইস্যুর একটি হলো বন্যপ্রাণী পাচার রোধ সংক্রান্ত আদেশ। সংঘবদ্ধ এ অপরাধচক্রকে ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

কোন রাষ্ট্রগুলো বন্যপ্রাণী চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কোন কোন রাষ্ট্র এতে মদদ দিচ্ছে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে কংগ্রেসে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে। বন্যপ্রাণী চোরাচালানের মূল উৎস, ট্রানজিট পয়েন্ট, চোরাচালানকৃত বন্যপ্রাণীর ক্রেতা এবং এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনাকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত মূল রাষ্ট্রগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

চোরাচালানের অঞ্চল ও রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন রাষ্ট্রের তালিকায় বাংলাদেশ, ব্রাজিল, বার্মা, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, চীন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গ্যাবন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, লাওস, মাদাগাস্কার, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, উগান্ডা, আরব আমিরাত এবং ভিয়েতনামকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদিকে মদদদাতা রাষ্ট্র হলো- মাদাগাস্কার, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং লাওস।

বলা হয়েছে, এ তালিকায় থাকা কোনও নেতিবাচক অর্থ বহন করে না, যেমনটি এর কোনও ইতিবাচক অর্থও নেই। এ তালিকার রাষ্ট্রগুলোর অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে বন্যপ্রাণী পাচার রোধে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং চোরাচালানের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে। আবার বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণীর অবৈধ ব্যবসা থেকে যেসব রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে লাভবান হচ্ছে সেসব রাষ্ট্রকে মদদদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উভয় ধরনের রাষ্ট্রের সঙ্গেই আলোচনা চালিয়ে যাওয়া এবং পারষ্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে বন্যপ্রাণী চোরাচালান রোধে সংঘবদ্ধ চক্রকে ভেঙে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ।  

প্রেস রিলিজে আরও বলা হয়, বন্যপ্রাণী পাচার থেকে সমাজে বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সূত্রপাত হয়। এ কারণে সামাজিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, আইনের শাসন ও মানুষের স্বাস্থ্য পর্যন্ত ঝুঁকিতে পড়ছে।

মার্কিন সরকার দেশে এবং দেশের বাইরে বন্যপ্রাণীকে কেন্দ্র করে অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে। কৌশলগতভাবে এ লড়াইকে প্রধান্য দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। অবৈধভাবে বন্যপ্রাণীর ব্যবসাকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে এবং এজন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে মার্কিন সরকার।

আরো দেখুন

সর্বশেষ ফটো